ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে শুক্রবার একই দিনে ঘটে গেল দুটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। একদিকে সামান্য অসতর্কতায় হারিয়ে গেল একটি পাঁচ বছরের প্রাণ, অন্যদিকে পারিবারিক অভিমান কেড়ে নিল এক তরুণের জীবন। দুটি ঘটনাই যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিল,সন্তানের প্রতি সজাগ দৃষ্টি আর পরিবারে খোলামেলা কথা বলার গুরুত্ব কতটা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের জওগাঁও এলাকায় বাড়ির পাশে খেলতে খেলতে অজান্তেই পুকুরে পড়ে যায় আমিরুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা আক্তার (৫)। দীর্ঘক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন বিকেলে কাশিপুর ইউনিয়নের চৌরাস্তা পঞ্চাশবস্তি এলাকায় ঘটে দ্বিতীয় ঘটনাটি। পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ভাইয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরে অভিমানে ইঁদুর মারার বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করেন মৃত কার্তিক হোসেনের ছেলে হামিরুল ইসলাম (২৬)। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে দ্রুত দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী দুটি ঘটনারই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতিক্রমে মরদেহ দাফন করা হয়েছে। অন্যদিকে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতাই একমাত্র উপায়। ছোট শিশুরা যেন খেলার সময় পুকুর, ডোবা বা জলাশয়ের কাছাকাছি একা না যায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি জরুরি। পাশাপাশি বাড়িতে ইঁদুরনাশক বা অন্য যেকোনো বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য এমনভাবে সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে তা সহজলভ্য না হয়।
পারিবারিক মনোমালিন্য বা রাগ-অভিমানের মুহূর্তে আবেগ সামলানোর আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার বিষয়ে সমাজে আরও সচেতনতা তৈরি হওয়া দরকার।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের জওগাঁও এলাকায় বাড়ির পাশে খেলতে খেলতে অজান্তেই পুকুরে পড়ে যায় আমিরুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা আক্তার (৫)। দীর্ঘক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন বিকেলে কাশিপুর ইউনিয়নের চৌরাস্তা পঞ্চাশবস্তি এলাকায় ঘটে দ্বিতীয় ঘটনাটি। পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ভাইয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরে অভিমানে ইঁদুর মারার বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করেন মৃত কার্তিক হোসেনের ছেলে হামিরুল ইসলাম (২৬)। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে দ্রুত দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী দুটি ঘটনারই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতিক্রমে মরদেহ দাফন করা হয়েছে। অন্যদিকে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতাই একমাত্র উপায়। ছোট শিশুরা যেন খেলার সময় পুকুর, ডোবা বা জলাশয়ের কাছাকাছি একা না যায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি জরুরি। পাশাপাশি বাড়িতে ইঁদুরনাশক বা অন্য যেকোনো বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য এমনভাবে সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে তা সহজলভ্য না হয়।
পারিবারিক মনোমালিন্য বা রাগ-অভিমানের মুহূর্তে আবেগ সামলানোর আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার বিষয়ে সমাজে আরও সচেতনতা তৈরি হওয়া দরকার।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি